প্রগতি ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি), শিল্প মন্ত্রণালয়
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ জানুয়ারি ২০২০

প্রতিষ্ঠান পরিচিতি

১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের জেনারেল মোটরস-এর কারিগরী সহযোগিতায় চট্টগ্রামের বাড়বকুন্ডে গাড়ী উৎপাদনের নিমিত্ত ব্যক্তি মালিকানায় গান্ধারা ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠানটিকে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ (পিআইএল) নামে জাতীয়করণ করে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)এর নিয়ন্ত্রণে দেয়া হয়-যা অদ্যাবধি বিএসইসি কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশের গাড়ী সংযোজনকারী একমাত্র সরকারী প্রতিষ্ঠান পিআইএল ইংল্যান্ডের বেডফোর্ড কোম্পানীর বাস ও ট্রাক সংযোজন করার মাধ্যমে প্রাথমিক যাত্রা শুরু করে। যুদ্ধবিধস্থ বাংলাদেশের পরিবহণ সেক্টরের বিপর্যস্থ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটি জরুরী ভিত্তিতে ইংল্যান্ড থেকে সুপিরিয়র বাস ও বেডফোর্ড ট্রাক আমদানী করে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। পরবর্তীতে জাপানের মিৎসুবিসি,নিশান ও ইসুজুসহ ভারত, চীন, কোরিয়া ইত্যাদি দেশ থেকে বিভিন্ন ব্রান্ডের গাড়ীর সিকেডি আমদানীপূর্বক সংযোজন ও বাজারজাত করে।

বর্তমানে জাপানের মিৎসুবিসি মোটরস করপোরেশনের পাজেরো স্পোর্ট(কিউএক্স) জীপ, চীনের ফোর্ডে অটোমোবাইলস কোং লিঃ এর ল্যান্ডফোর্ট এসইউভি জীপ এর সিকেডি আমদানী ও সংযোজন পূর্বক স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করছে। তাছাড়া, পিআইএল মিৎসুবিসি এল-২০০ ডাবল কেবিন পিকআপ,টয়োটা এ্যাম্বুলেন্স,মাইক্রোবাস ইত্যাদি সিবিইউ অবস্থায় আমদানী করে বাজারজাত করছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়সহ স্বল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়ীর চাহিদা পূরণ হচ্ছে।  ফলে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিক মুনাফা অর্জনসহ  সরকারের এডিপি বাস্তবায়নে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের মানুষের সার্বিক কল্যান সাধন করে আসছে।

 


Share with :

Facebook Facebook